বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জনতা ব্যাংকের শাখা কার্যালয়ে এ বিদায় সংবর্ধনা ও নবাগত ব্যবস্থাককে বরণ প্রদান করা হয় । বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান ছিল বেদনার আবেগের তেমনি ছিল আনন্দের। অনুষ্ঠানটি কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনতা ব্যাংকের অন্যতম গ্রাহক ও ছেংগারচর পৌর বনিক সমবায় সমিতি লিঃ এর দুই বারের সাবেক সফল সভাপতি মোঃ শাহ আলম প্রধানের সভাপতিত্বে ও জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার রাজিয়া সুলতানার পরিচালনায় সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিদায়ী সংবর্ধিত অতিথি জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক এসপিও মোঃ মহিউদ্দিন পলাশ, জনতা ব্যাংক ছেংগারচর শাখার নবাগত ব্যবস্থাপক মনির আহাম্মেদ,।
শুরুর বক্তব্যে জনতা ব্যাংক ছেংগারচর শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, গ্রাহক, বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জনতা ব্যাংকের বিদায়ী ব্যবস্থাপক, এসপিও মহিউদ্দিন পলাশের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, সকলের প্রিয় মহিউদ্দিন পলাশ এর দক্ষ নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রম আর আন্তরিকতার মাধ্যমে ছেংগারচর শাখা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। গ্রাহক সেবায় তিনি ছিলেন অগ্রগামী, অত্যান্ত আন্তরিকতা, ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের সেবা দিয়ে ভালোবাসার মনের মনি কোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। সেবার দিক দিয়ে তিনি ছিলেন অতুলনীয়। যার কোনো তুলনা করে শেষ করা যাবে না। তিনি ছিলেন অমায়িক,ও বিনয়ী। তার কর্মদক্ষতায়, সততা,নিষ্ঠা আর আন্তরিকতা ও কঠোর পরিশ্রমে ছেংগারচর বাজার জনতা ব্যাংক শাখাটি এক অনন্য উচ্চতায় পৌছেছে। যা শাখার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমরা তার সুস্থ্যতা,দীর্ঘায়ু এবং আরো উত্তোরত্তর উন্নতি ও সাফল্য কামনা করছি। সকল গ্রাহক এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ তার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য প্রাক্কাল্যে সকলে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। যা ছিলো তার প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন।
একই সাথে গ্রাহকরা এবং ব্যবসায়ীরা নবাগত ব্যবস্থাপক মনির আহাম্মেদকে স্বাগত জানিয়ে বিদায়ী শাখা ব্যবস্থাপকের মতো কর্মদক্ষতার ধারবাহিকতা এবং গ্রাহকের সেবার মানের দিকে আন্তরিকতার সহিত কাজ করবেন বলে আশা করেন।
বিদায়ী বক্তব্যে মহিউদ্দিন পলাশ বলেন, ‘এই শাখার সঙ্গে কর্মময় জীবন কাটানো সময় আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়। সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।’ আমি এই শাখার সকল গ্রাহক,ব্যাবসায়ী,সিলি লোন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সার্বিক সহযোগিতা পেয়েছি এজন্য আপনাদের সকলের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ।
মহিউদ্দিন পলাশ বলেন,গ্রাহকরা হলো ব্যাংকের প্রাণ ও ব্লাড। ব্লাড ছাড়া যেমন একজন মানুষ বাঁচতে পারেনা, ঠিক তেমনিভাবে গ্রাহক ছাড়া ব্যাংক বাঁচাতে পারে না।