কুমিল্লার মুরাদনগরের বাহেরচর পাঁচকিত্তা গ্রামে এক হিন্দু নারীকে ঘরের দরজা ভেঙে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে স্থানীয় ফজর আলী। পরে ওই নারীর বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর দেশজুড়ে জনরোষ সৃষ্টি হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ ঘটনাটিকে পরকীয়া বলে প্রচার করলেও, ভিডিওতে দেখা যায় ভুক্তভোগী নিজেকে ঢাকার চেষ্টা করলে ভিডিওগ্রাহক অনিক হাসান তা ঠেকায়। পুলিশের তথ্য মতে, ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে ফজর আলী এছাড়াও অনিক, সুমন, রমজান ও বাবুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী জানান, দরজা না খুললে ফজর আলী জোর করে ভেঙে ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে পূজা অনুষ্ঠানে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে।
এ নিয়ে ফেসবুকে ফজর আলীর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিও তৈরি হয়েছে, বিএনপি দাবি করেছে ফজর আলী আওয়ামী লীগের কর্মী, আর ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে তারা মিছিলও করেছে।
এলাকাবাসী ও মানবাধিকারকর্মীরা ধর্ষণ এবং ভিডিও ভাইরালের জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।