চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চট্টগ্রাম -কক্সবাজার মহাসড়কের সাথে সংযোগ স্থাপন কারি চুনতি ইসহাক মিয়া সড়কের নারিশ্চা অংশে সড়কের পার্শ্বে প্যালাসাইডিং এর নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানার পর আজ (শনিবার) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এর পক্ষ থেকে ৩৮লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই প্যালাসাইডিং এর কাজ চলমান ছিল। কাজের মধ্যে কিছু অনিয়ম দেখতে পেয়ে এলাকার লোকজন কাজে বাঁধা প্রদান করেন।
এলাকার বাসিন্দা মুহাম্মদ রেজাউল বাহার রাজা বলেন, নারিশ্চা এলাকা আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকা। এলাকার লোকজন আমাকে বিষয়টি অবগত করলে এলাকার লোকজন সহ আমরা কাজটা দেখতে আসি। কাজে রড দেওয়ার মধ্যে অনিয়ম দেখা গেছে। ৬ফুট পিলার উঁচু হওয়ার কথা।আমার মনে হচ্ছে এটি দায়সারা কাজ। বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করেছি। ওনি সরেজমিনে এসে সিদ্ধান্ত দিবেন বলা জানান।
কাজ দেখ ভাল করার দায়িত্বে থাকা নুরুল মোস্তফা বলেন, আমাকে ঠিকাদার যেভাবে বলছে সেভাবে কাজটা করা হচ্ছে। তিনি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে রাজি হননি।
অনিয়ম সংক্রান্ত জানতে চাইলে ঠিকাদারের পক্ষে উত্তম দাশ বলেন, ইঞ্জিনিয়ার ও এলজিইডি বরাদ্দে ডিজাইন অনুযায়ী কাজটি করা হচ্ছে। পুকুরের ওয়াল ও প্যালাসাইডিং এর নির্মাণ কাজের জন্য এলজিইডির পক্ষ থেকে ৩৮লাখ টাকা বাজেট করা হয়। আমরা কাজে কোন ধরণের অনিয়ম করছিনা ডিজাইন অনুয়ায়ী ওয়ালের এক পাশে রড় লম্বা অন্য পাশে তার চেয়ে একটু ছোট। তারপরও আপনাদের এ বিষয়ে উপজেলা প্রকোশলীর সাথে কথা বলে বিস্তারিত আরও জানতে পারবেন।
উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারি প্রকৌশলী মঈনুল হোসেন বলেন, কাজটা নিয়মিত তদারিকি করতে যায়। আসলে ডিজাইন অনুযায়ী কাজটি চলছে। স্থানীয় এলাকার লোকজন কাজটি বাঁধা দিতে শুনেছি। প্রয়োজনে কাজে কোন ধরণের অনিয়ম হলে সেগুলো পুণরায় কাজ করে মজবুত করে দেওয়া হবে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী কাজি ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, স্থানীয় লোকজন প্যালাসাইডিং নির্মাণ কাজে অনিয়ম এনে বাঁধা দিয়েছে এমন খবর পাওয়ার পর আমি কাজ পরিদর্শন করে দেখেছি সরকারি ডিজাইন অনুসারে কাজ হচ্ছে বিষয়টি এলাকার লোকজন না জেনে বাঁধা দিয়েছে আমি এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে তাদেরকে বুঝিয়ে বলব।