যমুনা নদীর ভাঙ্গন কবলিত জনপথ সিরাজগঞ্জের, চৌহালী , এনায়েতপুর, কাজিপুর এবং শাহজাদপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম। প্রতি বছরই যমুনা নদীর ভাঙ্গণের কবলে পড়ে বিলিন হচ্ছে এসব এলাকার বসতভিটা, গাছপালাসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। আর এই ভাঙ্গন এর হাত থেকে রক্ষায় নদী ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
প্রতি বছরই যমুনা তীব্র ভাঙ্গণে কবলে পড়ে নিঃশ্ব হচ্ছে নদী তীরের বহু মানুষ। ভাঙ্গনে সবচে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ এনায়েতপুরে জালালপুর, ব্রাক্ষনগ্রাম, হাটপাচিল ও আরকান্দিসহ আশপাশে কয়েকটি গ্রাম। একই পরিস্থিতি চৌহালী ও কাজিপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম। এসব এলাকার যমুনা ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষায় যমুনা নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মান প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এই প্রকল্পের আওতায় কাজিপুর উপজেলার সিংড়াবাড়ী, পাটাগ্রাম ও বাঐখোলায় প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার এলাকায় প্রায় সাড়ে ৫শ ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে যমুনা নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মান প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
অন্য দিকে শাহজাদপুর উপজেলার ব্রাক্ষণগ্রাম থেকে হাটপাচিল এলাকায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার যমুনা নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মান প্রকল্পের কাজ ও বেতিল স্পার-১ এবং এনায়েতপুর স্পার-২ শক্তিশালী করন প্রকল্পের কাজ চলছে। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬শ কোটি টাকা। জালালপুর গ্রামে বাদিন্দা আলহাজ আলী,জানান, আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার । সেই সাথে এলাকার ভাঙ্গন রক্ষায় তীর রক্ষা বাঁধের পাশাপাশি নদীর পূর্ব দিক বরাবর ক্রসবার বাঁধ নির্মানের দাবী করেছেন তারা।
এদিকে পানি উন্নয়বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পর নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে পুরোপুরি রক্ষা পাবে এসব এলাকা। বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলোকে।