সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (TCV) বা টাইফয়েড টিকাদান অভিযানের সাফল্য নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে । তিনি ভুল তথ্য প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেন এবং জোরালো প্রচারণার আহ্বান জানান।
বুধবার ( ৮ অক্টোবর) দুপুরে সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট ভবনের শহিদ শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে দেশব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান অভিযান উপলক্ষে জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক ” শিশু,কিশোর-কিশারী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতমূলক প্রচার কার্যক্রম ” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ইউনিসেফ বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তায় Typhoid Vaccination বিষয়ে জেলা পর্যায়ের প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক সংবাদকর্মীদের নিয়ে কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এইসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আরও বলেন, “টাইফয়েড একটি প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক রোগ, এবং টিকা নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। নির্ধারিত দিনে শিক্ষার্থীদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবক এবং অভিভাবকদের উৎসাহিত করতে হবে ।
ইউনিসেফের কনসালটেন্ট ড.রেজাউর রহমান একটি পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে টিকাদান অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় চিফ এএইচ তৌফিক আহমেদ।
কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ নুরুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) গণপতি রায়, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী,ইসলামি ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন ও সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ খান হাসান।
২০২৫ আগামী ১২ অক্টোবর থেকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় সিরাজগঞ্জ জেলায় স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে ১৫টি স্থায়ী ও ২ হাজার ১১২টি অস্থায়ী এবং স্কুল পর্যায়ে ৩ হাজার ৪২৯ টি সর্বমোট ৫ হাজার ৫৫৬ টি টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৩ জনকে ( শিশু) টিকা প্রদান করা হবে।