শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাউখালীতে বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন স্কুল ক্রিকেটে শিরোপা জিতল লালমনিরহাট কালেক্টরেট উচ্চ বিদ্যালয় শিবালয়ে ষাটোর্ধ্ব ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ হাটহাজারীতে ধলই ইউপি চেয়ারম্যান অপসারিত ফটিকছড়িতে ফ্যাসিস্ট ও নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না: সরোয়ার আলমগীর এমপি সাংবাদিক নেতা কাদের গনি চৌধুরীর বড় ভাই আহমদ গনি চৌধুরী আর নেই বিএনপি আবারো আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী কাপ্তাইয়ে ওয়াগ্গা ভলান্টিয়ারের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন লোহাগাড়ায় প্যালাসাইডিং নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, এলাকাবাসীর বাধা বন্দরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালিত বিশ্বে যারা পরিবেশ ধ্বংস করেছে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেবে: এনজিওদের দাবি “নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কর অব্যাহতি ও জীবাশ্ম জ্বালানিতে ভর্তুকি বন্ধের দাবি” হুন্দ্বীপ পাড়া ঘরোয়া প্রিমিয়ার লীগের জমজমাট ফাইনাল, চ্যাম্পিয়ন এইচপি ব্রাদার্স এলিভেন বগুড়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে যুবদল নেতা-সহ ডলার প্রতারণা চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার ও বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার নদীতে ঘোড়া গোসল করানোর সময় প্রাণ হারালেন যুবক শ্রীপুরে ২৫ লিটার চোলাই মদসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসে র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন রুমন ঈদ-পরবর্তী ভাদুঘর মহল্লার নেতাকর্মীদের সঙ্গে এমপি শ্যামলের মতবিনিময় সভা স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপ, পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার নগরকান্দার  চাঁদহাটে  মহিলা দলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন আনোয়ারায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিএনজি ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার মোবাইল ফোন না পেয়ে অভিমানে বিষপান, কাউখালীতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু আনোয়ারায় ইয়াবা পাচারের নতুন রুট, অধরাই রয়ে গেছে গডফাদাররা ঈদ পুনর্মিলনীতে উন্নয়ন ও জনঅধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান হাজী আশরাফ উদ্দিনের লালমনিরহাটে বজ্রপাতে গৃহবধূর আকস্মিক মৃত্যু জেলা প্রশাসনের শোক প্রকাশ ফটিকছড়িতে গ্রাম আদালত বিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি মামলায়-হাটহাজারীতে ‘ভুয়া সাংবাদিক’ আটক

কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে তামা-পিতলের তৈজসপত্র

আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর)
শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫, ৪:৫২ অপরাহ্ন

এক সময়ের সংসারের কাজে ব্যবহৃত তামা-কাসা ও পিতলের ধাতু দিয়ে তৈরি হাড়ি-পাতিল, কড়াই, খুনতি-চামিচ, থালা-বাসন, জগ-গ্লাস, কলস, পানদানি ও ড্যাক সহ হরেক রকমের তৈজসপত্র এখন আর চোখে পড়ে না। মেলামাইন, স্টিল, সিলভার ও প্লাস্টিকের ভীড়ে হারিয়ে গেছে সেইসব তৈজসপত্র। বর্তমান সময়ের প্রজম্মের কাছে গ্রামবাংলার তামা-পিতলের তৈরি তৈজসপত্র এখন শুধু গল্প-কাহিনী ছাড়া আর কিছু নয়।

প্রাচীন আমল থেকে মানুষ তামা-পিতল ও মাটির তৈরি তৈজসপত্র ব্যবহার করতো। বড় লোকদের ঘরে থাকতো তামা ও কাসার ধাতু দিয়ে তৈরি তৈজসপত্র। আর গরীব মানুষ বেশি ব্যবহার করতো মাটির তৈরি তৈজসপত্র। কালের বিবর্তনে আজ হারিয়ে গেছে সংসার থেকে। মানুষ মেলামাইন, স্টিল, সিরামিক ও সিলভরের দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

হাতেম মোল্যা নামে ৭৫ বয়সের এক বৃদ্ধ বলেন, বাপ-দাদার আমল থেকে আমরা তামা- পিতল ও মাটির হাড়ি-পাতিল, কলসি, জগ, থালা-বাসুন ব্যবহার করতাম। মাটির পাতিলে ভাত রান্না হতো, কাসার প্লেটে খাইতাম, পানি খাইতাম কাসা-পিতলের মগে, উক্কা ও বদনাও ছিলো পিতলের। তখন মানুষের রোগ ব্যাধীও ছিলো কম।প্রায় ২৫/৩০ বছর ধরে সেই সব জিনিস দেখা যায় না। সবার বাড়িতে এখন স্টিল, মেলামাইন আর সিলভারের মালপত্র ব্যবহার হয়। সেই পুরানো দিনের কথা মাঝে মাঝে খুব মনে পড়ে।

বিনয় সরকার নামে আরেক বৃদ্ধ বলেন, পিতল ও কাসার থালা দিয়েই পূজা অর্চনা করতাম আমরা। পূজার সরঞ্জামের পাশাপাশি আগে কুপি ও বোতলটাও ছিলো পিতলের। সব কাজে কাসা-পিতল ও মাটির ব্যবহার ছিলো।

কামরুল ইসলাম নামে এক দোকানী বলেন, এখন আর তামা-পিতলের কোন জিনিস পাওয়া যায় না। বছরে পুরান জিনিস বিক্রি করতে আসে দু-একজন। তাও দাম অনেক বেশি। দাম বেশি হওয়ায় কেউ আর কিনতে চায় না। অনেকেই জানান, হারিয়ে যাওয়া সেই কাসা-পিতলের ব্যবহার কিছুটা ফিরে আসা উচিৎ। তা না হলে গ্রামের ঐতিহ্য একেবারেই বিলীন হয়ে যাবে। ভবিষ্যত প্রজন্ম এটাকে গল্প কাহিনী মনে করবে।


এই বিভাগের আরো খবর