খুলনার পাইকগাছায় মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মুস্তাকুল মোড়ল (৩০)’কে পরস্ত্রীর সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় জনগণ ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
পুলিশ তাদেরকে শর্ত সাপেক্ষে ছেলে পক্ষের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। এদিকে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে ও ইমামের চাকুরি থেকে বরখস্তের দাবীতে শিবসা সামাজিক যুব উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন এক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার দুপুরে উপজেলার শান্তা বাজার সড়কে ওক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, তাজমুল শেখ, শরিফুল শেখ, লোকমান গাজী, কলিম শেখ, সোহেল শেখ, লাভলু গাজী, পির আলী সরদার, আজিজুল সরকার, হাফিজুর শেখ ও তরিকুল গাজী।
মানববন্ধনে প্রতিবাদকারীরা প্লাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ করে বলেন, মুস্তাকুল একজন চরিত্রহীন মাওলানা। তিনি আলমশাহী মসজিদের ইমাম ও খতিব। এছাড়া শান্তা নুরুল হক দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী। এছাড়া তিনি একজন হাফেজ ও মুফতি। অথচ তিনি শান্তা গ্রামের আনছার সদস্য বাপ্পী শেখের স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন পরকীয়া করে আসছেন। বৃৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে মাওঃ মোস্তাক পরকীয়ার সুত্র ধরে বাপ্পী শেখের ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় আপত্তিকর অবস্থায় বাপ্পির মেঝ ভাই তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এবং সাথে সাথে আশপাশের লোকজনকে সংবাদ দেন। লোকজন এসে তাদের স্থানীয় ক্যাম্প পলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। মোস্তাক ও বাপ্পির স্ত্রী পুলিশের কাছে বলেন তাদের সম্পর্ক ৪ বছর। তারা একে অপরকে বিয়ে করবে। এ কথার উপর ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে পুলিশ তাদেরকে ছেলের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
এছাড়াও একই দিন সকালে বাপ্পির স্ত্রী বাপ্পিকে তালাক প্রদান করে শনিবার মোস্তাকুল মোড়লের সাথে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করেন বলেও মাওঃ মোস্তাকুল মোড়ল মুঠোফোনে জানান জানান।