সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কিশোরগঞ্জে ৫ হাজার পিচ ইয়াবাসহ আটক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  হাতে গড়া শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালে ফিরছে নতুন প্রাণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আনোয়ারা কৃষক দলের দোয়া মাহফিল শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে : আবুল কালাম এমপি’র সঙ্গে বিএম স্কুল এন্ড কলেজের নবগঠিত কমিটির সাক্ষাৎ ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য এনসিপির ফ্রি বাস সার্ভিস ফটিকছড়িতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন উত্তর চট্টগ্রামের হাটবাজার গুলোতে-পশুর চামড়ার ক্রেতা না থাকায় হেলাফেলা রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রথম মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন সরোয়ার আলমগীর এমপি সাতক্ষীরার বিভিন্ন পরিবহণ কাউন্টারে বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালকের আকস্মিক পরিদর্শন শেরপুরে প্রসব করাতে গিয়ে স্বাস্থ্য সহকারীর স্বামীর মোটরসাইকেল চুরি মুন্সীগঞ্জে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা: রহস্য উন্মোচনে পিবিআই আমি সর্বোচ্চ উজার করে ছেংগারচর পৌরবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই : মেয়র পদপ্রার্থী উজ্জল ফরাজী সালথায় লুডু খেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-১০ কাউখালী উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক নুরুজ্জামান আর নেই শাসক নয়, ওয়ার্ড বাসীর সেবক হয়ে তাদের পাশে থাকতে চাই : এস এম শাহাবুদ্দিন নবীগঞ্জে কুশিয়ারা ড্রাইকের এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা দুর্ভোগের কারণ, দ্রুত পাকাকরণের দাবি কাজিয়াতল জনকল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী মতলব উত্তরের লবাইরকান্দিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়েছে: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী নগরকান্দায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত গাজীপুরে মামলার আসামী আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে দাবিতে থানায় এমপি বাচ্চু কর কমিশনার ফখরুল ইসলামের নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় কাউন্সিলর পদে আলোচনার শীর্ষে যুবদল নেতা কিরন ব্যাপারী দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত, মোট মৃত্যু ৫৬০ জন মতলব উত্তরে এসইএল মডেল একাডেমি’ ও ছমির উদ্দিন আহমেদ মেমোরিয়াল মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ ‎সালথায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ ছেংগারচর পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা উজ্জ্বল ফরাজী ভান্ডারিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ১ কেজি গাঁজা ও প্রায় ৪ লাখ টাকা উদ্ধার, শ্রীপুরে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বৈশাখ ও ঈদের অর্থনীতি মিলেমিশে একাকার

কাজী মামুনুর রহমান (মাহিম)
শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৩, ৯:৪০ পূর্বাহ্ন

সপ্তাহের ব্যবধানে এই মাসে দুটি বড় উৎসব একসঙ্গে পড়ে যাওয়ায় বৈশাখ ও ঈদের অর্থনীতি মিলেমিশে হয়ে গেছে একাকার। এমনিতেই দুই বছরের করোনা মহামারির ধকল, এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে। এই চাপ সামাল দিতে সরকার যেমন কৃচ্ছ্রসাধন করছে; তেমনি দেশের মানুষকেও বাধ্য হয়ে খরচের ফর্দে লাগাম দিতে হচ্ছে। তার প্রভাব পড়েছে পহেলা বৈশাল ও ঈদের কেনাকাটায়।

মূল্যস্ফীতির পারদ চড়ে দুই অঙ্কের দিকে ছুঁটছে। সরকারি হিসাবেই সবশেষ মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশে উঠেছে। এর অর্থ হলো ২০২২ সালের মার্চ মাসে দেশের মানুষ যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় পেয়েছিল, এই বছরের মার্চে তা কিনতে ১০৯ টাকা ৩৩ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। অন্যদিকে এই মার্চে মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। সরকারি এই তথ্য বলছে- বাড়তি মজুরির টাকা খেয়ে ফেলছে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি। এখন জাতীয় পর্যায়ে মজুরি বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে ২ দশমিক ১৫ শতাংশ কম। সাধারণত মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির কিছুটা বেশি থাকে। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরে সেই চিরায়ত প্রবণতায় টান পড়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মজুরিও বাড়ে। মজুরি বেশি বৃদ্ধি পেলে মূল্যস্ফীতির আঁচ টের পায় না মানুষ। কিন্তু সমান হলে দুশ্চিন্তা বাড়ে। কম হলে আর চলে না; ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয়। অথবা প্রয়োজনীয় কেনাকাটা কমিয়ে দিতে হয়।

দেশে এখন ঠিক তেমনটিই হচ্ছে। মজুরি বৃদ্ধির বাড়তি টাকা পুরোটাই চলে গেছে জিনিসপত্রের বাড়তি দামে। ফলে সঞ্চয় করা বা জীবনযাত্রার বাড়তি চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই তো বৈশাখী অর্থনীতির পালে এবার তেমন হাওয়া নেই। রোজার ঈদের কেনাকাটাতেও নেই প্রাণ। রাজধানীর ঢাকার গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডিসহ কয়েকটি অভিজাত এলাকায় বৈশাখ ও ঈদের কেনাকাটার ভিড় দেখা গেলেও সারা দেশে তেমন সারা নেই।

অর্থনীতিবিদ ও বিপনীবিতানের মালিকরা বলছেন, দুটি কারণে এবার বৈশাখ ও ঈদের কেনাকাটা জমছে না। প্রথমত, মানুষের হাতে আসলেই বাড়তি টাকা নেই। সংসারের খরচ মেটানোর পর আর কিছু থাকছে না। তাই বৈশাখ ও ঈদের কেনাকাটার চিন্তা বাদ দিয়েছে। অন্যদিকে গতবারের মতো এবারও রোজার মধ্যে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হচ্ছে। যাদের টাকা আছে, তারাও এক সপ্তাহের ব্যবধানে বৈশাখ ও ঈদ উৎসব উদযাপিত হওয়ায় একসঙ্গেই সারছেন দুই উৎসবের কেনাকাটা। সব মিলিয়ে এই দুই উৎসবকে ঘিরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাঙাভাব দেখা যায়, সেটায় ভাটা পড়েছে বলে মনে করছেন তারা।

গতবারও পবিত্র রমজানের মধ্যে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব হওয়ায় বৈশাখকেন্দ্রিক অর্থনীতি পুরোপুরি চাঙা হয়নি। এরই মধ্যে ঘনিয়ে এসেছে ঈদ। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২২ অথবা ২৩ এপ্রিল দেশে ঈদ উদযাপিত হবে। তাই তো সবাই বৈশাখ আর ঈদকে মাথায় রেখেই কেনাকাটা সারছেন। সংকটকালে যে যত টুকুই কেনাকাটা করছেন দুটি উৎসবকে ঘিরেই করছেন।

টানা দুই বছর করোনাবন্দি থাকার পর গত বছর স্বাভাবিক সময়ের মতোই বর্ষবরণ হয়েছিল দেশে। তবে রোজার কারণে পুরোপুরি প্রাণ ফিরে পায়নি। এবার বাঙালির সর্বজনীন এই উৎসব উদ্‌যাপনের জন্য সাধারণ মানুষের পাশাপাশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রস্তুতি নিয়েছে। বিপণিবিতানে কয়েক দিন ধরেই বৈশাখী পোশাক কেনাকাটা চলছে। মিষ্টির দোকানগুলোও নিয়েছে বাড়তি প্রস্তুতি। তবে গতবারের মতো এবারও রোজার কারণে বৈশাখের কেনাকাটায় ছন্দপতন হয়েছে। আবার বর্ষবরণ ও পবিত্র ঈদুল ফিতর—এই বড় দুটি উৎসব কাছাকাছি সময় হওয়ায় বৈশাখের কেনাবেচা আলাদা করাও কঠিন। তবে বৈশাখ ও ঈদের সম্মিলিত বেচাকেনা নিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, করোনার আগের বছরগুলোতে বৈশাল ও ঈদের কেনাকাটা যেমনটা জমত, যেভাবে অর্থনীতি চাঙা হতো-এবার তেমনটা হবে। ঢাকার বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অঙ্গিকাণ্ডে পুড়ে সব কিছু ছাই হয়ে যাওয়ায় ঈদের কাটাকাটা চাঙা না হওয়ার একটি কারণ বলে মনে করছেন তারা।

শুক্রবার পয়লা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ। কয়েক দিন পরই আবার রোজার ঈদ। সে জন্য বৈশাখকেন্দ্রিক অর্থনীতি আগের মতো পুরোপুরি জমে ওঠেনি। কাছাকাছি সময়ে দুটি বড় উৎসব হওয়ায় ক্রেতাসাধারণ কেনাকাটায় কিছুটা সতর্ক ও সাশ্রয়ী হয়েছেন। অবশ্য মূল্যস্ফীতির চাপও ক্রেতাদের কেনাকাটায় সাশ্রয়ী হওয়ার আরেক কারণ। তবে বিষয়টি ব্যবসায়ীদের মাথায়ও ছিল। তাই পোশাক-পণ্যের ডিজাইন তথা নকশায় বৈশাখকেন্দ্রিক না থেকে বৈচিত্র্য আনার কৌশল নিয়েছেন তারা। একাধিক উৎসবে– পার্বণে পরা যায় এমন পোশাকপণ্য তৈরি ও বেচাকেনা করছেন ব্যবসায়ীরা।

গত কয়েক দিন ঢাকার শাহবাগ, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, কারওয়ানবাজার, বসুন্ধরা শপিংমল প্রভৃতি এলাকার বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতান ঘুরে এমন তথ্য জানা গেছে। বেশির ভাগ বিপণিবিতান ও মার্কেটে ক্রেতাদের পয়লা বৈশাখ বা নববর্ষের চেয়ে ঈদের পোশাক ও পণ্য বেশি কিনতে দেখা যায়।

ফ্যাশন প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ফ্যাশন উদ্যোক্তা সমিতি (এফইএবি বা ফ্যাশন উদ্যোগ) উৎসবের বেচাকেনা নিয়ে ২০১২ সালে একটি জরিপ করেছিল। সেই তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের ফ্যাশন হাউসগুলোতে সারা বছরের মোট বিক্রির ৫০ শতাংশ হয় রোজার ঈদে। ২৫ শতাংশ হয় পয়লা বৈশাখে। তবে এবার দুই উৎসব এক সময়ে হওয়ায় পহেলা বৈশাখের বেচাকেনা তুলনামূলক কম বলে জানান সমিতির নেতারা।

জানতে চাইলে এফইএবির সভাপতি ও ফ্যাশন হাউস অঞ্জনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন আহমেদ ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, আমরা বৈশাখ উপলক্ষে কিছু কাপড় তুলেছিলাম। সব ধরনের উৎসবকে সামনে রেখে আমরা বিভিন্ন কালেকশন উঠিয়ে থাকি। তবে এবার যেহেতু এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঈদ ও বৈশাখ হচ্ছে, তাই আমরা বৈশাখপ্রেমীদের জন্য অল্প করে পোশাক তুলেছি।’

একই কথা বলেছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন। গতকাল তিনি বলেন, এবার সারা দেশের ব্যবসায়ীরা পহেলা বৈশাখ ও ঈদকে সামনে রেখেই ব্যবসার পরিকল্পনা সাজিয়েছেন। সে অনুযায়ীই তারা বেচাকেনা করছেন।’

হালখাতার কল্যাণে অনেক আগে থেকেই পয়লা বৈশাখে মিষ্টির ব্যবসা চাঙা হয়। আর বৈশাখী পোশাক টুকটাক কেনাবেচার প্রচলন হয় এক থেকে দেড় দশক আগে। ধীরে ধীরে সেটির পরিধি বাড়তে থাকে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আসবাব, ইলেকট্রনিকসহ বিভিন্ন পণ্য। ২০১৬ সাল থেকে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত ব্যক্তিরা বৈশাখী ভাতা পেতে শুরু করেন। বেসরকারি কিছু ব্যাংকও ভাতা দিচ্ছে। সব মিলিয়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈশাখকেন্দ্রিক ছোট অর্থনীতির আকার বড় হতে থাকে। যদিও করোনার কারণে গত দুই বছর সেটি প্রায় থমকে ছিল। চলতি বছর আবার বৈশাখকেন্দ্রিক অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

অর্থনীতির গবেষক বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলো উৎসবকেন্দ্রিক। তার মধ্যে বৈশাখ গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। যদিও রোজার কারণে বৈশাখে যে মাত্রায় বেচাকেনা হওয়ার কথা ছিল, সেটি হয়নি। বৈশাখ আমাদের একটি বড় উৎসব। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎসবের অর্থনীতির আকারও বাড়ছে। শুধু শহরেই নয়, শহরতলিতেও তা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বছর ঈদ ও বৈশাখ কাছাকাছি সময়ে আসায় এবং মূল্যস্ফীতির চাপ থাকায় বেচাকেনায় কিছুটা প্রভাব পড়ার কথা। আশা করছি, ব্যবসায়ীরাও সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছেন।’

পরিবারের ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য ঈদ ও বৈশাখের পোশাক একসঙ্গেই কিনে নিচ্ছেন অনেকে। রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে শপিং করতে আসা ইমরান হোসাইন নামে একজন ক্রেতা ঢাকা প্রতিদিনকে জানান, তিনি তার ভাই-ভাবী, ভাতিজা-ভাতিজী ও মায়ের জন্য কেনাকাটা করে দিতে এসেছেন। তিনি বলেন, এবার চিন্তা করেছি ঈদ ও বৈশাখের কেনাকাটা একসঙ্গেই করে ফেলব। দুইটা বড় উৎসব একই সময়ে হওয়ায় তাই বাড়তি কেনাকাটার ঝামেলাও নিতে হচ্ছে না। একসময়ের মধ্যেই দুইটা কেনাকাটা হয়ে যাচ্ছে। তবে কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম এবার একটু বেশি। তাই খরচটাও একটু বেড়ে গেছে।

চাহিদা কম ইলিশের
রোজার কারণে এ বছরও পান্তা-ইলিশের উৎসব হবে না। তাই আগে যেভাবে বৈশাখের ইলিশ কেনার ধুম পড়ে যেত এবার সে তুলনায় চাহিদা অনেক কম। তবে বাজারে মাছটির দাম বেশ চড়া। রাজধানীর শেওড়াপাড়া বাজারের ব্যবসায়ীরা গতকাল এক কেজি ওজনের একেকটি ইলিশ বিক্রি করেছেন ১৮০০–২০০০ টাকায়।

মতিঝিলের ফকিরাপুল বাজারের মাছবিক্রেতা রাসেল ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, ‘রোজার কারণে বড় ধরনের বৈশাখী অনুষ্ঠানের আয়োজন তেমন নেই। এ কারণে ক্রেতা কম। তাই ইলিশের চাহিদা তেমন নেই; বিক্রি কম।

পহেলা বৈশাখ বা রোজার ঈদে মোট কত টাকার বাণিজ্য হয়, তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে উৎসবের সঙ্গে বর্ষবরণের তফাত হচ্ছে, এ সময় দেশীয় পণ্য ক্রয়ে ক্রেতাদের ঝোঁক থাকে। তাই বৈশাখকেন্দ্রিক বেচাবিক্রিতে গ্রামীণ অর্থনীতি বেশ চাঙা হয়। কিন্তু গত তিন বারের মতো এবারও বৈশাখের কেনাকাটা তেমন জমেনি।


এই বিভাগের আরো খবর