দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে গণসংবর্ধনায় অংশ নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সকলে মিলে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফুট সড়ক) আয়োজিত গণসংবর্ধনা মঞ্চ থেকে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে তারেক রহমান বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে। পরবর্তীতে লাখো জনতাকে অভিবাদন জানাতে জানাতে সংবর্ধনাস্থলে এসে পৌঁছান বিকেল পৌনে ৪টায়।
এরপর বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে মঞ্চে আসন নেন তিনি। পরে তাকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন,প্রিয় বাংলাদেশ, উপস্থিত প্রিয় মুরব্বিবর্গ, জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং প্রিয় ভাই ও বোনেরা, প্রিয় মা ও বোনেরা আসসালামু আলাইকুম। প্রথমেই আমি রাব্বুল আল আমিনের প্রতি হাজারে শুকরিয়া জানাতেই চাই।আমি আপনাদের মাঝে ফিরে আসতে পেরেছি। আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ৭১ সালে লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিন হয়েছিল।২৪ সালে ৭১ সালে যেমন মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল,সর্বস্তরের মানুষ কৃষক শ্রমিক, দল-মত শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এদেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। যোগ্যতা অনুযায়ী চায় ন্যায্য অধিকার। আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে তেমনি সমতলের মানুষ আছে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যে স্বপ্ন একজন মা দেখে।
অর্থাৎ নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।
শহীদ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ৭১ এ যারা শহীদ হয়েছে, ২৪ এ যারা শহীদ হয়েছে তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।