গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ও আগ্রহ দিন দিন জোরালো হচ্ছে। এই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ওমর হোসেন।তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে যুবরাজনীতি পর্যন্ত ওমর হোসেনের পথচলা ছিল সুস্পষ্ট, ধারাবাহিক এবং সক্রিয়। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ে আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক কর্মসূচি এবং দলীয় কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অভিজ্ঞতা তাকে একজন পরিণত ও বাস্তবভিত্তিক সংগঠকে পরিণত করেছে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে তার ভূমিকা দলীয় মহলে প্রশংসিত।
রাজনৈতিক অঙ্গনে ওমর হোসেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু-এর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, এই রাজনৈতিক সংযোগ এবং সমন্বয় ভবিষ্যতে গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবা জোরদার এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এই অভিজ্ঞতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদী।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামাজিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় আয়োজন, রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং দুর্যোগকালীন সহায়তায় ওমর হোসেনকে নিয়মিত পাশে পেয়েছেন তারা। বন্যা, শীতকালীন সহায়তা কিংবা হঠাৎ কোনো সামাজিক সংকটে তিনি দ্রুত সাড়া দিয়েছেন বলে অনেকেই উল্লেখ করেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ, খোলা মনে মানুষের কথা শোনার মানসিকতা এবং সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানের চেষ্টা তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
অনেকেই মনে করছেন, গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সেবামূলক কার্যক্রমের মানোন্নয়ন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে নতুন, সৎ ও কর্মঠ নেতৃত্ব প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় ওমর হোসেন একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে সামনে আসছেন।
স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়ে তার সুস্পষ্ট ভাবনা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
নিজের ভাবনা ও লক্ষ্য তুলে ধরে ওমর হোসেন বলেন, তিনি রাজনীতিকে ক্ষমতার মাধ্যম হিসেবে নয়, মানুষের সেবার মাধ্যম হিসেবে দেখেন।
গোলাকান্দাইলের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি উন্নয়ন, জবাবদিহি ও সুশাসনের কথা ভাবছেন। জনগণ যদি তাকে দায়িত্ব দেয়, তবে তিনি পরিকল্পিত উন্নয়ন, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সব মিলিয়ে, জনগণের আস্থা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং উন্নয়নের স্পষ্ট অঙ্গীকার নিয়ে ওমর হোসেন যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন, তা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত ও আলোচনামুখর করে তুলছে।