ঈদুল আজহা হচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব।শেষ মুহূর্ত জমে ওঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বাজারে প্রচুর পশুর সমাগম ঘটলেও হাটগুলোতে ছিল না প্রত্যাশিত ক্রেতা,তবে শেষ মুহূর্তে বেড়েছে ক্রেতা ও বিক্রি। মধ্যবিত্তের পকেটে টান এবং অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে শেষ মুহূর্তে বেচাকেনা জমার আশায় বসে ছিলেন বিক্রেতারা।
আনোয়ারা উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শেষ মুহূর্তে কোরবানির গরু কিনে বাড়ি ফিরছেন মানুষজন। তবে তাদের অধিকাংশেরই মলিন মুখ। কারণ এবার গরুর বাজার চড়া। দাম বেশি হওয়ায় এবার এক গরু তিন থেকে সাতজনে ভাগে কোরবানি করছেন। মধ্য ও নিম্নবিত্তদের একটি বড় অংশ এভাবে কোরবানি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বুধবার বেলা ৪টায় আনোয়ারা গহিরা দোভাষী বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিক্রেতারা খুটির সাথে বেঁধে রেখেছে সারি সারি গরু। কিন্তু ক্রেতার উপস্থিতি মোটামোটি। যারা আসছেন, গরু দেখে দরদাম করেই চলে যাচ্ছেন। বিক্রেতারা জানান, বিকালের দিকে কিছুটা লোক সমাগম হলেও সকাল ও দুপুরে হাটগুলো ফাঁকা থাকে।পতেঙ্গা থেকে গরু কিনতে এসেছেন ছালাম। তিনি জানান, বেশির ভাগ জিনিসের দাম বেশি, মধ্যবিত্তের পকেটে টাকা নেই, এ অবস্থায় এ বছর গরুর দাম বেশি মনেহচ্ছে। তাই ক্রেতাশূন্য রয়েছে বেশিরভাগ হাটগুলো।
আনোয়ারা থেকে দোভাষী বাজারে ৪টি গরু নিয়ে এসেছেন শফি বেপারি। কিন্তু তার ২টি গরুও বিক্রি হয়ছে এখনও দুইটি বিক্রি হয়নি।একই অবস্থা অন্য হাটগুলোতেও।তাজ উদ্দীন বলেছেন, বাজারে দেশি গরুর দাম বেশি, এটা খুবই ইতিবাচক। কারণ কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না। এবার গরু লালনপালন করে ভালো দামে বিক্রি করতে পারায় তাদের মুখে হাসি ফুটেছে।