আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সারাদেশের ন্যায় টান টান উত্তেজনা – উদ্দীপনা বিরাজ করছে নারায়ণগঞ্জ জেলায়।
বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ (সদর-বন্দর) – ৫ আসনের ভোটের মাঠে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে ব্যাপক আলোচনা ও উত্তাপ ছড়িয়েছে।প্রার্থী বদল সহ হয়েছে নানা নাটকীয়তা। নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত নাম বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এড. আবুল কালাম।তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জনগণের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এবং উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দলের শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।
জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এড. আবুল কালাম অতীতে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।তৎকালীন সদর- বন্দর আসনের মানুষের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করেছেন তিনি।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সড়ক যোগাযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও সংস্কার, কৃষকদের সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। বিশেষ করে গ্রামীণ সড়ক ও ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণে তার নেওয়া উদ্যোগ আজও এলাকাবাসীর মুখে মুখে।
সাধারণ মানুষের মতে,রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরী আবুল কালাম শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং একজন অভিভাবকের মতোই ছিলেন। মানুষের দুঃসময়ে তিনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আন্দোলন-সংগ্রামের সময়ে কর্মী-সমর্থকদের রক্ষা করেছেন। ফলে বর্তমান সময়েও এ আসনের জনগণ তার নেতৃত্বকে ফিরে পেতে চায়।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মামলা-হামলা ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও আবুল কালাম বিএনপির হয়ে মাঠে সক্রিয় থেকেছেন। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদি শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীরা যখন দমন-পীড়নের শিকার হন, তখনও তিনি সাহসিকতার সাথে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার এই ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস তাকে শুধু কর্মী-সমর্থকদের কাছেই নয়, সাধারণ ভোটারদের কাছেও একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আসন্ন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই সদর-বন্দর আসনের নগরে-গ্রামগঞ্জে আবুল কালামের কর্মী সমর্থকদের সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়।পোস্টার, ব্যানার, গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় তার নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।
বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের তৃণমূল কর্মীরা কর্মীবান্ধব আবুল কালাম কে কেন্দ্র করে সংগঠিত হচ্ছে। তৃণমূলের নেতা-কর্মী- সমর্থকদের বিশ্বাস যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তবে এ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন সচ্ছ রাজনীতির ধারক ও বাহক এড. আবুল কালাম।
এ আসনে জামাত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট প্রার্থী খেলাফত মজলিসের সিরাজুল মামুন সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও সক্রিয় রয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনগণের কাছে ক্লিন ইমেজ,এবং অতীতের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে গ্রহনযোগ্য বিএনপি’র তরফ থেকে আলহাজ্ব আবুল কালাম সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
সিটি করপোরেশন ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি সত্যিকারের অর্থে এলাকাবাসীর জন্য কাজ করবেন।আর সেই বিবেচনায় সাবেক বারবার নির্বাচিত সাংসদ আবুল কালাম অন্যদের চেয়ে অধিক গ্রহনযোগ্য।
স্থানীয়রা জানান, অতীতে আবুল কালামের জনমুখী উদ্যোগে নানাভাবে উপকৃত হয়েছেন তারা।
তরুণ ভোটাররা মনে করেন, অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আবুল কালামের রয়েছে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা।
নারী ভোটারদের মতে, তিনি সবসময় সমাজে নারী শিক্ষা ও উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে আসন্ন নির্বাচনে নানা সমীকরণে নারায়ণগঞ্জ – ৫ আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ আসনে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করলে দলীয় প্রার্থী আবুল কালামের বিজয় অনেকটা নিশ্চিত বলে দাবী স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
আবুল কালাম জনপ্রিয়তা, দলের প্রতি তার আনুগত্য, ত্যাগ, ও অবদান এবং জনগণের প্রত্যাশার কারণে তিনি এই আসনে বিএনপির প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবী,আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
সদর -বন্দর আসনে ভোটের মাঠে সবচেয়ে আলোচিত নাম এখন এড. আবুল কালাম । তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা,সততা, তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ড তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে নারায়ণগঞ্জ -৫ আসনে তিনিই হবেন জনগণের প্রধান ভরসা।এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তার কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটাররা।