বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে বেড়ার চরাঞ্চলের চিনাবাদামের ক্ষেতগুলোর শুষ্ক মৌসুমেই ডান তীর বাঁধ সংস্কারের দাবি জোরালো, পরিদর্শনে পাউবো প্রকৌশলী ও ইউএনও ভাণ্ডারিয়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক সংস্কারে জোর ​৫ দিন পর রোদের দেখা: সুনামগঞ্জে ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষাণ-কৃষাণী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মনিবন্ধনে অনিয়ম: চার ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত শ্রীপুরে চার বছর ধরে নীরব মানবিক উদ্যোগ, প্রতি বুধবার অসহায়দের জন্য খাবারের আয়োজন শ্রীপুরে বৃষ্টিতে বিদ্যালয় মাঠে হাঁটু পানি, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী মে দিবসে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান হাজী আশরাফ উদ্দিনের হাইকোর্টে দুই মামলায় আইভীর জামিন অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধে পুলিশ কমিশনারের আল্টিমেটাম ১৭ বছরের সাজা এড়াতে ২০ বছর পলাতক ; অবশেষে গ্রেফতার কিশোরগঞ্জে হাওরের অতিবৃষ্টির কারণে কৃষকের স্বপ্ন ডুবে যাচ্ছে পানির নিচে লালমনিরহাটে কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত মুকসুূদপুর জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান উপকূলীয় অঞ্চলে ক্রমাগত লবনাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকগাছায়” পানি সংলাপ” অনুষ্ঠিত দিনাজপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত শরণখোলায় বজ্রপাতে চার গরুর মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে ২শ’ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান সালথার আটঘর ইউপি চেয়ারম্যান সোহাগ খান গ্রেপ্তার কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের ন্যায় সংগত অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি কুড়িগ্রামের বিশিষ্ট জনদের এমপির নির্দেশনা উপেক্ষা করে খেলার মাঠ দখলের পাঁয়তারা বিআইডব্লিউটিসি’র দুর্যোগের পূর্বাভাসে সুনামগঞ্জের বরাম হাওরে দ্রুত ধান কাটার নির্দেশ জেলা প্রশাসকের বাঁধ ভাঙার দায় কার? প্রশাসন আর প্রকৃতির রোষে সর্বস্বান্ত হাওরবাসী ডিসি সম্মেলনে ৪৯৮টি প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হবে ফুলবাড়ীতে তিনদিন ব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বালু বোঝাই ট্রলি দুর্ঘটনায় চালকের মৃত্যু কাপ্তাইয়ে বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ড্রেন সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন কাউখালীর আশোয়া গ্রামটি নদীভাঙনে বিলুপ্তির পথে কাউখালীর সন্ধ্যা নদীতে কোস্টারের ধাক্কায় ফেরি ক্ষতিগ্রস্ত, ট্রলার ডুবি জামালপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

ফুলঝাড়ু শিল্পে স্বচ্ছলতা ফিরেছে চরাঞ্চলবাসীর

ইমরুল হাসান বাবু,টাঙ্গাইল
রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২২, ৩:৫৯ অপরাহ্ন

ঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজে ফুলঝাড়ু (উলুফুল) এর জুড়ি নেই। গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে শহর বন্দরের প্রায় প্রতিটি ঘরেই রয়েছে ঝাড়ুর কদর। পাহাড়ী অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এ ফুল ঝাড়ু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিক্রির জন্য দেশের বিভিন্ন জেলায় নেওয়া হচ্ছে। আর এ ফুলঝাড়ু বিক্রি করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন এলাকার মানুষেরা।
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার যমুনা তীরবর্তী এলাকার মানুষের স্বচ্ছলতা ফিরছে ফুলঝাড়ু শিল্পে। যমুনার প্রবল ভাঙ্গনে দুর্গাপুর ও গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের নদী পাড়ের বাসিন্দারা প্রতিবছরই বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এসব এলাকার মানুষেরা বছরের অর্ধেকটা সময় কর্মহীন হয়ে পড়ে। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ফুল ঝাড়ু তেরির কারখানা সৃষ্টি করায় এ অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে।
সরোজমিনে এসব এলাকায় দেখা যায় ছোট আকারের প্রায় ৫০টি কারখানা গড়ে ওঠেছে। আর এসব ঝাড়ু শিল্পের বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় ৫-৬শ নারী-পুরুষের কর্মসংস্থানের জোগাড় হয়েছে। এসব শিল্প সংশ্লিষ্টরা জানায় প্রায় ১০-১২ বছর আগে পটল বাজার এলাকার নজরুল ইসলাম নুরু, আব্দুল হাই, সোলেমান ও মাজেদ মিলে চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি এলাকা থেকে স্বল্প পরিসরে উলুফুল (ফুল ঝাড়ুর ফুল) এনে স্থানীয় শ্রমিকদের দিয়ে বাধাই করে ঢাকায় হকারদের মাধ্যমে বিক্রি করেন। ব্যবসাটি লাভজনক হওয়ায় তারা ব্যবসার প্রসার ঘটায়। এছাড়া শ্রমিকারও উৎপাদনের ভিত্তিতে এসব কারখানায় কাজ করে প্রতিদিন ৪/৫শ টাকা উপার্জন করে। আর তাদের উপার্জিত টাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা সাচ্ছন্দেই আছেন বলে জানান পটল বাজারের শ্রমিক সেলিম, সুজন, পারভেজ, বাছেদ, সাইফুল সহ অনেকেই। পুরুষ শ্রমিকরা উলুফুল ও পাটখড়ির সাথে গুনা দিয়ে বেধে সুন্দর মোঠা (আটি) তৈরি করে। পরে ওই বাধাই করা মোঠা গুলোতে কস্টেপ অথবা পিভিসি পাইপ লাগিয়ে নারী শ্রমিকরা বাজারজাত করার উপযোগী করে তোলে। এসব কারখানা গুলো মুলত কালিহাতী উপজেলার মগড়া বাজার, পটল বাজার, দূর্গাপুর, কদিমহামজানী, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়, শ্যামশৈল, কুর্ষাবেনু ও পাথরঘাট এলাকায় গড়ে ওঠেছে। পটল বাজারের ফুল ঝাড়ু ব্যবসায়ি নজরুল ইসলাম নুরু জানান একসময় এব্যবসার সুদিন থাকলেও এখন ব্যবসায় কোন শান্তি নেই। পার্বত্য চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন ও রাঙ্গামাটি এলাকা থেকে এসব উলুফুল খুবই কম দামে কিনে আনেন। কিন্তু মহাসড়কে পুলিশ ও বনবিভাগের নানা তালবাহানার ফলে ওই ফুলের দাম বিশ গুণেরও বেশি পড়ে যায়। অপরদিকে তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচও বেড়েছে। এমতাবস্থায় এখন তাদের এ শিল্প পরিচালনা দুস্কর হয়ে পড়েছে। তাছাড়া এ শিল্প বন্ধ হয়ে গেলে নদী তীরবর্তী প্রায় এক হাজার নারী ও পুরুষ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বে। তিনি নিজের বাড়ীতে ৩০ শতাংশ ভূমিতে উলুফুল চাষ শুরু করেছেন। যাতে এসব এলাকার উৎপাদিত উলুফুল দিয়েই কারখানাগুলো সচল রাখা যায়।
দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম জানান, চরাঞ্চলে ফুলঝাড়ু কারখানা সৃষ্টি হওয়ায় যমুনার ভাঙন কবলিত কর্মহীন মানুষের মধ্যে স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। এসব ক্ষুদ্র শিল্প টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।


এই বিভাগের আরো খবর