ভাষার অধিকার আদায়ের মাস এ মাস। ভাষা আন্দোলন অর্থাৎ একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগনের গৌরবজ্জ্বল একটি দিন। এটি আমাদের কাছে ঐতিহ্যময় মাতৃভাষা দিবস।
পারস্পারিক যোগাযোগ ও ভাবাবেগ প্রকাশের সবচেয়ে বড় নির্ভরতা ভাষা। আর ভাষার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে মাতৃভাষা। ২১ শে ফেব্রুয়ারি বা ৮ই ফাল্গুন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ দিবস তথা মাতৃভাষার প্রতি সকল জাতীরই আন্তরীক ও গভীর ভালবাসা বিদ্যমান। একুশ মানে চেতনা আমার মায়ের ভাষায় কথা বলা একটা স্বাধীন দেশের জন্য সবাই মিলে যুদ্ধ করা।
কবির এ চেতনার ধারায় পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্ত হয়ে আমরা পেয়েছি মাতৃভাষার কথা বলার অধিকার আর একটি স্বাধীন-সার্বভৌম জাতির স্বীকৃতি ১৯৫২ সালে এইদিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) বাংলাকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকায় আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ ছাত্র শহীদ হন। যাঁদের মধ্যে রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত এরই প্রেক্ষিতে ২১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় মাতৃভাষার জন্য আত্মদানকারী শহিদদের স্মরণে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে ইউসুফগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-পালিত হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় কার্যকম পড়ে অত্র স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে বের হয় আনন্দ র্যালী শেখ হাসিনার স্মরণী হয়ে র্যালেটি ফিরে আসেন অর্থ স্কুলে পড়ে পর্যায়ক্রমে প্রথমে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও স্কুলের শিক্ষকরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শহীদদের পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণী’র ছাত্র-ছাত্রীরা ফুলদেন শহীদ মিনারে।
এতে ইউসুফগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উউপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের কার্যকরী সদস্য ও ইউসুফগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব দীন মোহাম্মদ (দীলু)
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও অত্র স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ