সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে শুকনো মরিচের দাম কমেছে কেজিতে ৪০-৬০ টাকা করে। স্থানীয় সরবরাহ বাড়ায় বাজারদর নিম্নমুখী হয়ে উঠেছে। এতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন ভোক্তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি শুকনো মরিচ ৪২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে দাম কমে ৩৬০-৩৮০ টাকায় নেমেছে। হিলির কাঁচাবাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি দোকানেই শুকনো মরিচের যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে।
হিলি বাজারে শুকনো মরিচ কিনতে আসা ইয়াসিন আলী বলেন, ‘বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। এ অবস্থায় শুকনো মরিচের দাম কমায় আমাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।’ বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান।
হিলি বাজারে শুকনো মরিচ কিনতে আসা গৃহিণী নূরজাহান বেগম ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, ‘গত সপ্তাহে শুকনো মরিচ ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩৬০-৩৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে কিছুটা সুবিধা হয়েছে আমাদের জন্য। তবে এখনো শুকনো মরিচের যে দাম, সেটি অনেক বেশি। ফলে খুব সামান্য পরিমাণে কিনতে হচ্ছে।’
হিলি বাজারের শুকনো মরিচ বিক্রেতা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘কিছুদিন আগে বগুড়া ও গাইবান্ধা অঞ্চলের শুকনো মরিচের সরবরাহ কমে গেলে বাজারে দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে সম্প্রতি পঞ্চগড় অঞ্চলের বিন্দু জাতের শুকনো মরিচ বাজারে আসতে শুরু করেছে। উৎপাদন ভালো হওয়ায় এ জাতের শুকনো মরিচের ব্যাপক সরবরাহ রয়েছে। চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। মোকামে আমরা এখন কম দামে শুকনো মরিচ কিনতে পারছি। যার কারণে খানিকটা কম দামে বিক্রি করতে পারছি। আগামী দিনগুলোয় অন্যান্য অঞ্চলের শুকনো মরিচ আসতে শুরু করলে দাম আরো কমে আসবে বলে প্রত্যাশা করছি।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক মমতাজ বেগম ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে ও দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি। কেউ যদি অহেতুক কোনো পণ্যের দাম বাড়ায়, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে জরিমানাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’