বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা আজ শুক্রবার পালিত হচ্ছে। মহামতি গৌতম বুদ্ধের শুভ জন্ম, বোধিজ্ঞান লাভ ও মহাপরিনির্বাণ—এই তিনটি স্মৃতিবিজড়িত বৈশাখী পূর্ণিমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে বুদ্ধপূজা, শীল গ্রহণ, পিণ্ডদান, প্রার্থনা ও ধর্মীয় আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
বৌদ্ধধর্মের মূল শিক্ষা অহিংসা, সাম্য, মৈত্রী ও সহমর্মিতার কথা স্মরণ করে ধর্মাবলম্বীরা শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। গৌতম বুদ্ধের বাণী—হিংসা দিয়ে হিংসার অবসান হয় না, বরং অহিংসা ও অবৈরিতার মাধ্যমেই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব—আজও বিশ্বজুড়ে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন তারা।
শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণ ও মানবতার শিক্ষা দেয়। বৌদ্ধধর্মের পঞ্চশীল নীতি মানুষকে নৈতিক ও সংযমী জীবনযাপনের দিকনির্দেশনা দেয়।”
রাজধানীর মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী ধর্মীয় কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশন জানিয়েছে, সকালে বুদ্ধপূজা ও শীল গ্রহণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। সন্ধ্যায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।