বেচা বিক্রি নেই, বসে বসে ঝিমাচ্ছি দোকানে। তাছাড়া এইসব কথা আপনাকে বলে লাভ কি? যা বিক্রি হচ্ছে ঘর ভাড়াই দিতে পারছি না। কর্মচারীদের বেতন দিব কিভাবে। কথাগুলো বলছিলেন ঘাটাইলের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মো. সানোয়ার হোসেন।
ঈদের পর ঘাটাইলের শপিংমলগুলোতে একদমই বেচা-বিক্রি নেই। হতাশায় ভুগছেন ব্যবসায়ীরা। কোনরকম ঘর ভাড়ার টাকা জোগাতে পারলেও হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্মচারীদের বেতন দিতে। ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গ্রাম অঞ্চল গুলোতে ধানকাটা লেগেছে, সবাই ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত তাই মার্কেটে কাস্টমার কম আসে। আবার কেউ বলছেন, অতিরিক্ত তাপ দাহের কারণে ক্রেতারা মার্কেটে আসছেন না।
সরে জমিনে ঘাটাইল উপজেলা শহরের শপিংমল গুলোতে গিয়ে দেখা যায়, অলসভাবে দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত। কেউ লুডু খেলছেন। আবার কেউ কেউ দোকানের কাউন্টারের উপরে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছেন।
ঘাটাইল বাজার রোডের জাহানারা শপিং কমপ্লেক্সের” মা গার্মেন্টস” এর ম্যানেজার মো, সোহেল মিয়া দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, ঈদের পর থেকে বেচা- বিক্রি একদমই নেই। সকাল ৯ টায় দোকান খুলেছি এখন বাজে বেলা তিনটা, বিক্রি করেছি মাত্র ১৭০ টাকা। অতিরিক্ত গরম পড়েছে। তার মধ্যে আবার গ্রাম অঞ্চলে ধান কাটা ও শুরু হয়েছে, তাই মার্কেটে কাস্টমার একদমই আসছে না। চিন্তায় পড়ে গেছি ঘর ভাড়া দিব কিভাবে, আবার কর্মচারীদের বেতন ও দিতে হবে। ঘাটাইল পৌর শহরের সজীব বস্ত্র বিতানের মালিক, সজিব চন্দ্র পন্ডিত ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, কি আর বলবো ভাই প্রচণ্ড গরম পড়েছে, বেচা বিক্রি বলতে খারাপও না আবার ভালোও না, কোন রকমে বেঁচে আছি।
মার্কেট করতে আসা ক্রেতা আব্দুল জলিল মিয়া দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন কে বলেন, আমি একজন গেরস্থ মানুষ, ঘরে নতুন ধান উঠাইছি, পোলাপানেরা আবার বায়না ধরছে নতুন কাপড় কিনব। তা কাপড়ের যে দাম এক মণ ধান বেইচা একজনেরই কেনা-কাটা হইতাছে না। ভাবতাছি দোকান থাইকা না কিনা গরিবের মার্কেট ফুটপাত থাইকাই কিনা নিমু।ঐহানে কমদামে পাওয়া যায়।