আমরা মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, নিজেকে উৎসর্গ করেছি , জাতির মুক্তির আশায়, জাতির স্বাধীনতার জন্য । জাতি মুক্তিযুদ্ধের সুফল, স্বাধীনতার সুফল ভোগ করবে,এটাই আমাদের চাওয়া পাওয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে । সাম্য মানবিক মর্যাদা সামাজিক ন্যায়বিচার এটাই ছিল মুজিবনগর সরকারের অঙ্গীকার উপরোক্ত কথাগুলি বলেছেন রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার বীর প্রতীক । কুড়িগ্রাম জেলা শহরের নিজ বাড়িতে ২৮ ডিসেম্বর শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় কালে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার বীর প্রতীক আরো বলেন , আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান কুরআনের আইনেই রাষ্ট্র, বিশ্ব পরিচালনা হচ্ছে। কুরআন আইনের শাসন ন্যায় বিচার। জীবন্ত কুরআন। কুরআন চুড়ান্ত আসমান সংবিধান। সকল ফয়সালা কুরআনের আইনেই হচ্ছে।
দোযাহানের ধর্ম ইসলাম। দোযাহানের নবী রাসুলুল্লাহ সাঃ। কুরআন দুই ভাগে বিভক্ত। একটি শোষণ বৈষম্য হীন সমাজ কাঠামো মুক্তির সংগ্রাম রাসুলুল্লাহ সাঃ এঁর জীবন আদর্শ পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্হা সার্বিক কল্যাণের সভ্যতা ইয়া উম্মতি উম্মতি পাকপাঞ্জাতন একত্ববাদ যাহা জাতীয়তাবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা,গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র বাস্তবায়ন এককাতার জান্নাতবাসী। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য আছে সুখদ কানন। জান্নাত। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহারাই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ। হকের দাওয়াত। শান্তির বিজয়। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। এক আল্লাহ, এক রাসুলুল্লাহ সাঃ, একবিশ্ব, এক পরিবার।
অন্যটি রাসুলুল্লাহ সাঃ এঁর বিপক্ষ দল জাহেলিয়াত, আবুলাহাবিয়াত, এজিদিয়াত একচোখা কানা দাজ্জালী অসভ্যতা, অসামাজিকতা,অপশক্তি, ইবলিশ, প্রতারক, দাজ্জাল, ব্যক্তিস্বার্থ,ব্যক্তি মালিকানা, সীমানার ক্রন্দল, যুদ্ধ বিরোধ, আমিত্ব, রাজতন্ত্র, ধনতন্ত্র, পীরতন্ত্র, মোল্লাতন্ত্রের শরিয়তের সীমালঙ্ঘন মেয়াদ শেষ। তওবার দরজা বন্ধ। পিছনে ফেরার কোন সুযোগ নাই। স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদের কেয়ামত। ইসলামি চরমপন্থী জঙ্গিবাদের কেয়ামত। ওদের ধ্বংস। আল্লাহর বিধানের কোন পরিবর্তন নাই। সীমালঙ্ঘন কারী নাফসি নাফসির ৭২ কাতার জাহান্নামী। প্রত্যেক জাতির এক নিদির্ষ্ট সময় আছে। ইসলাম কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা মানব রচিত ইসলামী দলগুলো ইসলাম নয়। কেহ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দীন গ্রহণ করিতে চাহিলে তাহা কখনো কবুল করা হইবে না। নিঃসন্দেহে ইসলামই আল্লাহর নিকট একমাত্র দীন।
ওরা ইসলাম কে খন্ড খন্ড করেছেন এবং ইসলাম কে বিভক্ত করেছেন এবং পরস্পর বিছিন্ন হয়েছেন। মুমিনগণ পরস্পর ভাই ভাই। শিরকের গুন্নাহ ক্ষমাহীন। চন্দ্রবর্ষের হিসাব গণনায় কুরআন নাযিল হয়েছে মহিমান্বিত এক রজনীতে সোনার মক্কা-মদিনায়।সূর্যবর্ষ বঙ্গাব্দ। সূর্যবর্ষের দেশ,ষড়ঋতুর দেশ সোনার বাংলাদেশে হতে কুরআনের আইনের বাস্তবায়ন সমাধান।কেয়ামত নিকটবর্তী হইয়াছে আর চন্দ্র বিদীর্ণ হইয়াছে। আল্লাহ বিচার করেন সঠিক ভাবে। তোমরা তোমাদের কথা গোপনেই বল অথবা প্রকাশ্যে বল,তিনি তো অন্তর্যামী।
ইহা আল্লাহ ও রাসুলুল্লাহ সাঃ এঁর নৈকট্য প্রাপ্ত বাণী। কুরআনের আইনের শাসন ন্যায় বিচার।
গাজওয়াতুল হিন্দ। হিন্দুস্থানের বিজয়, ইসলামের বিজয়।