কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের সরকার পাড়া গ্রামে কৃষক আব্দুল লতিফ এর দুই পুত্র রফিকুল ইসলাম ও বেলাল হোসেন মৎস্য চাষ করে পরিবারে স্বচ্ছলতা এনেছেন।
জানা গেছে, ১৯৯৪ইং সাল থেকে নিজস্ব জমিতে যাত্রাপুর মৌজার এস.এ খং নং- ৭৮৮ মূলে এস.এ দাগ নং- ১০৬৬, ১০৬৭, ১০৬৮, ১০৬৯, ১০৯২, ১০৯০, ১০৯১, ১০৮৯ মূলে মোট ৬৯ শতাংশ জমিতে পারিবারিক ভাবে রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভারকার্প মাছ চাষ শুরু করেন। প্রথম বছরেই সাফল্যের মুখ দেখে একই পরিবারের দুই ভাই। পরের বছর মাছ চাষে লাভবান হওয়ায় পরিবারটি ধারাবাহিক ভাবে উক্ত পুকুরে রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভারকার্প, গ্লাসকার্প, সাদাপুটি, তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষে উদ্বুদ্ধ হন। প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির কল্যাণে মৎস্য চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে মৎস্য চাষী।
অনুরুপ ভাবে পাঙ্গাশ মাছ চাষ অনেকটা লাভজনক এবং সহজলভ্য হওয়ায় পরবর্তীতে মৎস্য চাষী রফিকুল ইসলাম ও বেলাল হোসেন গত ২০০৭ সাল হতে তাদের নিজস্ব পুকুরে পাঙ্গাশ মাছ এর চাষ শুরু করে অদ্যবধি মাছ মাছ করে আসছেন। প্রতিবছর নিজস্ব পুকুর থেকে ৪৫ থেকে ৫০ মণ পাঙ্গাশ মাছ উৎপাদন করে খরচ বাদ দিয়ে ন্যুনতম প্রায় ২ লক্ষ টাকা আয় করে আসছে।
এ ব্যাপারে মৎস্য চাষী রফিকুল ইসলাম জানায়, পাঙ্গাশ মাছ চাষ অনেকটা সহজলভ্য এবং ব্যয়ের পরিমাণ খুবই কম। অন্যান্য মাছ চাষে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হওয়ায় আমরা পাঙ্গাশ মাছ চাষ করে আসছি। তাছাড়া পাঙ্গাশ মাছের চাহিদা বাজার অনেক বেশি।