খুলনা -৬ সংসদ সদস্য মাওঃ আবুল কালাম আজাদ ও জেলা জামায়াতের আমিরের উপস্থিতিতে ভুয়া ভুয়া স্লোগান হট্টগোলের মধ্যদিয়ে খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলী ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর কর্মীসভা ভন্ডুল হয়ে গেছে।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়ন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সভা আর কে বি কে কলেজিয়েটের দোতলায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সণাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ মাওলানা তৌহিদুজ্জামান নুর।
কর্মী সভায় জেলা জামায়াতের ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক মমিন উদ্দীন সানার পক্ষে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কাজ করার কথা বলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা ইমরান হোসেন।
এ কথা বলার সাথে সাথে কর্মী সভায় একটি গ্রুপ হট্টগোল শুরু করে ও ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দেন। একই সাথে মমিন সানা সম্পর্কে আপত্তিকর নানা কথা বলতে থাকে। এ সময় বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করেন। স্থানীয় এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আছর নামাজের সময় চলে যাচ্ছে এজন্য তিনি নামাজ আদায়ে জন্য চলে যান। সাথে দায়িত্বশীল নেতারা সভাস্থল ত্যাগ করেন। বলেন যে নামাজ শেষ আবার কর্মী সভায় আসবেন। কিন্তু নামাজ শেষে তারা আর ফিরে না এসে চলে যান বলে দলের নেতা-কর্মীরা স্কুল মাঠে বলাবলি করছিলেন।
তবে এ বিষয়ে জামায়াতের স্থানীয় আমিরসহ দায়িত্বশীল কোন নেতা মন্তব্য করতে রাজী হননি। শুধু বলছিলেন এখানে তেমন কিছু ঘটেনি।
এ বিষয়ে জামায়াতের খুলনা জেলা আমির এমরান হুসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওখানে তো তেমন কিছু হয়নি। আওয়ামিলীগের কিছু লোক এসে হট্টগোল করছে। জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সভায় আওয়ামীলীগের লোকেরা কিভাবে আসলেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন স্থানীয়দের সাথে আসছে। খোলা মেলা সভা ছিলোতো। নামাজ পড়ে পুনরায় সেখানে যাওয়ার কথা হয়নি।আমরা অনুষ্ঠান শেষ করেই তো চলে আসছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের এক নেতা জানান, বিতর্কিত মোমিন সানাকে রাড়ুলি ইউনিয়নে ইউপি প্রার্থী মনোনীত করেছে, একই সাথে শেখ মহিবুল্লাহ তিনি জাময়াতের রোকন ছিলেন। দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলায় তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। তার পক্ষের লোকজন হট্টগোল পাকিয়ে কর্মীসভা ভন্ডুল করেছেন।
এদিকে কর্মীদের জন্য নিয়ে আসা সিংড়াসহ খাদ্য খাবার গুলো শেষে এলোমেলোভাবে বিতারণ করা হতে দেখা যায়।
স্থানীয় এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এর মুঠোফোনে কয়েকবার কল করেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।