আজ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেএসকেএস এর আয়োজনে ও ইউএনডিপি’র অর্থায়নে এবং রূপান্তরের কারিগরি সহযোগিতায় ‘সামাজিক সংগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিএসও দের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিএও এবং জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেএসকেএস এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শান্তি নির্মাণ, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সংগতি জোরদার করা আজ অত্যন্ত জরুরীপূর্ণ একটি অগ্রাধিকার। সম্প্রতি সময় আমরা লক্ষ করছি ডিজিটাল গুজব, ভূয়া তথ্য, বিভ্রান্তিমূলক কনটেন্ট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ফলে সমাজে অবিশ্বাস, বিভাজন এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অনেক ক্ষেত্রে এসব পরিস্থিতি সংঘাতের দিকেও গড়াচ্ছে। ফলে সময়উপযোগী আগাম সতর্কতা, দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত উদ্যোগ এখন অত্যন্ত জরুরী হয়ে উঠেছে। আসুন সবাই মিলে একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি। সম্মানীত অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্য) মোঃ জানে আলম, জেলা মহিলা বিষয়ক উপ-পরিচালক মোর্শেদ আলী খান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক খন্দকার মোঃ রওনাকুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মুনির হোসেন, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল।
মুক্ত আলোচনা করেন এসইউপিকে’র নির্বাহী পরিচালক মোজাফ্ফর হোসেন, মমতা পল্লী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইয়াকুব আলী, মনিতা মাড্ডি, ফিরোজ, রবি মার্ডিসহ উপস্থিত যুব-যুবা ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জেএসকেএস এর মর্জিনা রুপা ও সাইফুল আলম। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ইউএনডিপি ও রূপান্তর এর সমন্বয়কারী নূর-ই-আযম হায়দার রাজা, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সুশীল সমাজের নাগরিকদের মাঝে দেশপ্রেম সৃষ্টি করতে হবে। সোসাল মিডিয়া’র উপ-ব্যবহার প্রতিরোধ করতে পারলে সামাজিক অস্থিরতা অনেকাংশই কমবে।